লেখক পরিচিতি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৮৬১–১৯৪১ জোড়াসাঁকো, কলকাতা · ৩টি বই
কবি, ঔপন্যাসিক, গীতিকার, চিত্রশিল্পী। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলির জন্য প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পান। বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের জাতীয় সংগীতই তাঁর লেখা।
জীবনানন্দ দাশ
১৮৯৯–১৯৫৪ বরিশাল · ২টি বই
রূপসী বাংলার কবি। ধানসিঁড়ি নদী, হিজল, কাঁঠালচাঁপা আর সন্ধ্যার আলো তাঁর কবিতায় অন্য রকম হয়ে ধরা দেয়। আধুনিক বাংলা কবিতার পথিকৃৎদের একজন।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৮৭৬–১৯৩৮ দেবানন্দপুর, হুগলি · ২টি বই
অপরাজেয় কথাশিল্পী। গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারীদের জীবনের কষ্ট আর ভালোবাসা তাঁর মতো করে খুব কম লেখকই লিখেছেন।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১৮৩৮–১৮৯৪ কাঁঠালপাড়া, নৈহাটি · ১টি বই
বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় তাঁকে। ঐতিহাসিক আর রোমান্টিক উপন্যাসে বাংলা গদ্যকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
বেগম রোকেয়া
১৮৮০–১৯৩২ পায়রাবন্দ, রংপুর · ১টি বই
নারীশিক্ষা ও নারী অধিকারের অগ্রদূত। লেখায়, স্কুল প্রতিষ্ঠায় আর সংগঠনে সারা জীবন মেয়েদের এগিয়ে নেওয়ার কাজ করেছেন।
সুকুমার রায়
১৮৮৭–১৯২৩ কলকাতা · ২টি বই
বাংলা ননসেন্স ছড়ার রাজা। হাঁসজারু, বকচ্ছপ আর কুমড়োপটাশেরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ছোট-বড় সবাইকে হাসিয়ে যাচ্ছে।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১৮৯৪–১৯৫০ মুরাতিপুর, নদিয়া · ২টি বই
প্রকৃতি আর শৈশবের কথাশিল্পী। অপু-দুর্গার গ্রাম, বন-জঙ্গল আর আকাশ তাঁর লেখায় যেন জীবন্ত।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১৯০৮–১৯৫৬ দুমকা · ১টি বই
জেলে, কৃষক আর শ্রমজীবী মানুষের জীবন নিয়ে লিখেছেন নির্মম সততায়। পদ্মাপাড়ের জেলেদের গল্প তাঁকে অমর করে রেখেছে।
মীর মশাররফ হোসেন
১৮৪৭–১৯১১ লাহিনীপাড়া, কুষ্টিয়া · ১টি বই
উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান লেখকদের পথিকৃৎ। কারবালার বিষাদময় কাহিনি নিয়ে লেখা তাঁর মহাকাব্যিক উপন্যাস আজও পাঠকের চোখ ভেজায়।
নীলা রহমান
১৯৮৮ সিলেট · ২টি বই
(কাল্পনিক লেখক) চা-বাগান আর বৃষ্টির শহরে বড় হওয়া কথাসাহিত্যিক। প্রথম উপন্যাসেই পেয়েছেন তরুণ পাঠকদের ভালোবাসা।
আরিফ হাসান
১৯৭৯ খুলনা · ১টি বই
(কাল্পনিক লেখক) নদী-গবেষক ও প্রাবন্ধিক। বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া নদী আর তাদের পাড়ের মানুষের গল্প খুঁজে বেড়ান।
তানিয়া চৌধুরী
১৯৯২ চট্টগ্রাম · ১টি বই
(কাল্পনিক লেখক) ছোটদের জন্য লেখেন আর আঁকেন। দাদির মুখে শোনা রূপকথাগুলো নতুন করে সাজান।